বিশুদ্ধজ্ঞানের আলোক

এডুলিচারে স্বাগতম!

এডুলিচার! ⇋ শিক্ষা, সাহিত্য, সংস্কৃতি ⇋ বিশুদ্ধজ্ঞান
জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব; স্পষ্ট হয়ে গেল জ্ঞান আর বুদ্ধি এক বস্তু নয়। জ্ঞান হচ্ছে নৈমত্তিক ঘটনাবলী থেকে অর্জিত অভিজ্ঞতা আর বুদ্ধি হচ্ছে, নিজের মনের প্রতিক্রিয়াগুলোকে লক্ষ করার ক্ষমতা, জ্ঞানের বিষয়ে প্রয়োজনীয় সম্বন্ধ আবিষ্কারের ক্ষমতা। বুদ্ধি মানুষ জন্মগতভাবেই লাভ করে। জ্ঞান পরিবার, সমাজ ও পরিবেশ থেকে অর্জন করতে হয়। কিন্তু আমরা বলছি বিশুদ্ধ জ্ঞানের কথা— এটি সেই স্বজ্ঞাত সত্য যা যুক্তি দ্বারা প্রমাণ করতে হয়, এটি বুদ্ধির উচ্চতর অবস্থা, যে অবস্থায় মানুষ মহাসত্যকে উপলব্ধি করতে সক্ষম হন। মূলকথা, বিশুদ্ধজ্ঞান হচ্ছে প্রজ্ঞান যা প্রকৃত জ্ঞানী বা ‘প্রাজ্ঞ’ অর্জন করেন।
অতএব, জ্ঞান মানুষের বাহ্যিক অর্জন, বুদ্ধি তার অন্তর্নিহিত বিচারশক্তি, আর বিশুদ্ধ জ্ঞান বা প্রজ্ঞান হলো সেই পরিণত চেতনা, যেখানে জ্ঞান, বুদ্ধি ও আত্মোপলব্ধি একত্রিত হয়ে মানুষকে মহাসত্যের সান্নিদ্ধে পৌঁছে দেয়। সেখানে অজ্ঞতার অবসান ঘটে, বুদ্ধির সংকীর্ণতা দূর হয়, আর মানুষের চেতনা প্রকৃত অর্থেই মুক্তির দিকে অগ্রসর হয়।

বিশুদ্ধজ্ঞানের সরঞ্জাম

আপনার পরিকল্পনা যাই হোক না কেন, আমরা আপনাকে আপনার লক্ষ্যগুলিকে দ্রুত অর্জন করতে সাহায্য করার জন্য আপনাকে সঠিক সরঞ্জাম দিতে এখানে আছি!

শিক্ষা

শিক্ষা হল জ্ঞানলাভের একটি পদ্ধতিগত প্রক্রিয়া এবং ব্যক্তির সম্ভাবনার পরিপূর্ণ বিকাশ সাধনের অব্যাহত অনুশীলন।

সাহিত্য

ইন্দ্রিয় দ্বারা জাগতিক বা মহাজাগতিক চিন্তা চেতনা, অনুভূতি, সৌন্দর্য ও শিল্পের লিখিত বহিঃপ্রকাশ হচ্ছে সাহিত্য।

সংস্কৃতি

সমাজে অর্জিত আচরণ, যোগ্যতা, জ্ঞান, বিশ্বাস, শিল্পকলা, নীতি, আদর্শ, আইন, প্রথা ইত্যাদির সমন্বয় হল সংস্কৃতি।

বিশুদ্ধজ্ঞান

উপলব্ধি, অনুসন্ধান, শিক্ষা গ্রহণ ও পাঠ্যাভ্যাসের মাধ্যমে অর্জিত ব্যক্তি বা বস্তুর অবস্থা ও গুণাবলী সম্পর্কে ধারণা।

লাইব্রেরি গ্রন্থ বিন্যাস

সাফল্য গাঁথা

বাস্তবায়িত প্রতিটি প্রকল্পই আমাদের সাফল্যগাঁথার অংশ। এখানে রয়েছে আমাদের সম্পন্ন হওয়া ও বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পসমূহের একটি তালিকা। এই প্রকল্পগুলোর সফল বাস্তবায়ন আমাদের কাজের পরিধি এবং গুণগত মানকে প্রকাশ করে। এডুলিচারের প্রথম সাফল্য ছিল ১৯৯৮ সালের ভাষা শহীদ দিবস উপলক্ষ্যে একটি সাহিত্য সঙ্কলন প্রকাশ। এরপর একই সালে বিদ্রোহী কবি ও বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে নানান আয়োজন…

এডুলিচার কী ও কেন?

এডুলিচার বিশুদ্ধজ্ঞানের শিক্ষা বিষয়ক প্রতিষ্ঠান। ১৯৯৭ সালের ২৭শে ডিসেম্বর উন্মুক্ত পাঠাগার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সবার জন্য বিশুদ্ধজ্ঞান নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে তাহের আলমাহদী কর্তৃক এডুলিচার প্রতিষ্ঠিত হয়।
বিশুদ্ধজ্ঞানের আলোক

সবার জন্য নিশ্চিত হোক বিশুদ্ধজ্ঞান

বই পড়লে অনেক কিছু জানা যায়, ফলে জ্ঞান-বুদ্ধি বাড়ে—সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই। এছাড়াও নিয়মিত বই পড়লে মানুষ শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ থাকে; ফলে প্রশান্তি পাওয়া যায়, মানসিক চাপ কমে, মনোযোগ বৃদ্ধি পায়, মস্তিষ্ক সচল থাকে, স্মৃতিশক্তির উন্নতি ঘটে, কল্পনাশক্তি বাড়ে এবং মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে। বই আমাদের সামনে খুলে দেয় নতুন দুয়ার।

ভূরাজনীতি, মূল্যাধিক্য, মুদ্রণাভাব ইত্যাদি কারণে বই সর্বদা সহজলভ্য হয় না। তাই বই সহজলভ্য করার উদ্দেশ্যে এডুলিচার বাংলা সাহিত্যের মেধাস্বত্বমুক্ত ও মুদ্রণাভাবে দুর্লভ গ্রন্থাদি নিয়ে সাজিয়েছে এডুলিচার পাঠশালা নামক অনালাইন প্রকল্প।

নিয়মিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, কাজী নজরুল ইসলাম, সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজিসহ বিশিষ্ট কবি-সাহিত্যিকদের গ্রন্থসমূহ নিয়ে পৃথক পৃথক অনলাইন রচনাবলী প্রকল্প বাস্তবায়ন করে চলেছে।